স্বাধীনতার বিপক্ষের অপশক্তিকে রুখব


বিজয় দিবসের শপথ

স্বাধীনতার বিপক্ষের অপশক্তিকে রুখব

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়’ স্বজাতি নিয়ে বাঙালি কবির এই অহংকার যেন আরেকবার সত্য প্রমাণিত হলো। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে জামায়াতি হিংস্র তাণ্ডব উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মেতে উঠেছে বিজয় উৎসবে। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে মুক্তির আস্বাদ পাওয়া জাতি এবার ভিন্ন আমেজে উদ্‌যাপন করল বিজয়ের ৪২তম বার্ষিকী। এত বছর স্বাধীনতার চেতনাবাহী দিবসগুলোতে যেখানে মুখরিত হতো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি, এবার সেখানে উচ্চারিত হয়েছে যুদ্ধাপরাধীমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার শপথ। একই সঙ্গে ধ্বনিত হয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে প্রতিরোধ করার আহ্বান এবং হিংস্র-উন্মত্ততা, আতঙ্ক-ভয়কে জয় করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়।

স্বাধীনতার ৪২ বছর পর মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যে হিংসার উন্মত্ততা ছড়িয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াত-শিবির, তার প্রভাবে এবার বিজয় দিবসের আয়োজনকে ঘিরে এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা লক্ষ করা গেছে। এর পাশাপাশি ছিল প্রধান বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিরাজমান অস্বস্তিকর পরিবেশের প্রভাব। ফলে এবারের আয়োজনগুলোতে সকালের দিকে জনসমাগম অন্যান্যবারের চেয়ে কিছুটা কম পরিলক্ষিত হয়। তবে বিকেলের দিকে বাঁধভাঙা জোয়ারের মতো মানুষ বেরিয়ে আসে ঘর থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা সন্ধ্যার দিকে লোকে-লোকারণ্য হয়ে যায়।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ জানিয়েছেন, বিজয় দিবসের এবারের অনুষ্ঠানগুলোতে লোকসমাগম অন্য যেকোনোবারের তুলনায় বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী চক্র একাত্তরের কায়দায় মানুষকে অবরুদ্ধ করতে চেয়েছে, একটা ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চেয়েছে। আবার একটি রাজনৈতিক জোটও মানুষ পুড়িয়ে বীভৎস তাণ্ডব চালিয়েছে। বিজয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে যোগদানের মাধ্যমে মানুষ এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার মনোভাব দেখিয়েছে।’

এবারের বিজয় দিবসে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবপতাকা তথা লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকা নির্মাণ আর সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে প্রাণের প্রিয় জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ পরিবেশন। এ দুটি আয়োজনকে কেন্দ্র করে উচ্ছ্বাস-আনন্দে মেতে ছিল মুক্তির চেতনায় উজ্জীবিত তরুণ প্রজন্ম।

বিজয় দিবসের অন্যান্য আয়োজন ছিল বরাবরের মতোই। উৎসব আয়োজনের সূচনা ঘটে মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মাধ্যমে। স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করা মহান শহীদদের প্রতি অর্পণ করা পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ সারা দেশের সব স্মৃতির মিনার। আরো ছিল বিজয় উৎসব, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র, চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিজাগানিয়া নানা আনন্দ-আয়োজন। তবে রাজধানীর বাইরে এবার সীমিত আয়োজনে বিজয় দিবস উদ্‌যাপিত হয়েছে বলে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

বিজয় দিবস উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় গতকাল সোমবার ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর তেজগাঁও পুরনো বিমানবন্দরে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে। এরপর কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে সবার গন্তব্যস্থলে পরিণত হয় নগরীর অদূরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। সেখানে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক, মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ সর্বস্তরের মানুষ। লাখো মানুষের ঢল নামে এই শহীদ বেদিমূলে। শ্রদ্ধা-ভালোবাসার অর্ঘ্যে ভরে ওঠে স্মৃতির বেদিমূল। শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের কণ্ঠে ছিল অবিনাশী স্লোগান, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা- লুপ্ত হতে দেব না’, ‘একাত্তরের হাতিয়ার- গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়- রাজাকারের ঠাঁই নাই’, ‘দিয়েছি তো রক্ত- আরো দেব রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায়- ভেসে যাবে অন্যায়’ প্রভৃতি।

বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল ছিল সরকারি ছুটি। দিনটি উদ্‌যাপনে সরকারি অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বর্ণিল আলোকবাতিতে রাজধানীর ভবন আর লাল-সবুজের পতাকায় সাজানো হয় সড়কদ্বীপগুলো। বিজয় দিবসে নগরীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান এবার ছিল না। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

বিজয় দিবস উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে এবং টুঙ্গিপাড়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। আওয়ামী লীগের বিজয় দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে বের করা হয় বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রা।

বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় দলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনেও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বিজয় শোভাযাত্রা বের করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে। প্ল্যাকার্ডে ছিল চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের হিংস্রতার মুখচ্ছবি। সাংস্কৃতিক কর্মীদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় যুদ্ধাপরাধীমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। সাংস্কৃতিক কর্মীরা দ্রুত ‘যুদ্ধাপরাধীদের’ বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানান। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত সাংস্কৃতিক জোটের বিজয় উৎসবের ১৩টি মঞ্চ মুখর ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাজাগানিয়া সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি আর নাটক পরিবেশনায়।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতাস্তম্ভ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি প্রভৃতি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অনুষ্ঠানমালায় ছিল উচ্ছ্বাসমুখর নগরবাসীর ঢল। দল বেঁধে ঘুরে বেড়ানো মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদেও ছিল লাল-সবুজের মিশেল। কেউবা শুধুই পার্ক-উদ্যানে ঘুরে বেড়িয়ে উপভোগ করেছে দিনটি। এবার ভিন্নমাত্রা পেয়েছে শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর। ‘যুদ্ধাপরাধীদের’ সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আলোড়ন জাগানো এ চত্বরে বিজয় দিবসের উৎসব শুরু হয়ে যায় রবিবার রাত থেকেই। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক সকালে পিলখানা ‘সীমান্ত গৌরব’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শপথ এবার প্রতিরোধের : মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে প্রথম ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়ার পর প্রথম বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে ‘দেশজুড়ে নাশকতা ঘটিয়ে চলা জামায়াত-শিবির’ প্রতিরোধের শপথ নিতে বললেন মুক্তিযোদ্ধারা। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করারও দাবি জানান তাঁরা।

গতকাল সকালে সাত বছর বয়সী নাতিকে সঙ্গে নিয়ে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন পাথালিয়ার মুক্তিযোদ্ধা মো. দবির উদ্দীন। একাত্তরে দেশরক্ষার শপথ নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সেই দিনগুলোর স্মৃতি স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘এবারের বিজয় দিবসে আমাদের শপথ জামায়াত-শিবিরের সহিংসতার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে এক করে প্রতিবাদ করা। তাদের রাষ্ট্রবিরোধী কাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।’

মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদির গামা বলেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরও জামায়াত-শিবির বাংলাদেশকে ধ্বংসের পরিকল্পনায় মেতে রয়েছে। তারা এখন হরতাল-অবরোধ করে, গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ মারছে, রেললাইন উপড়ে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। এই পরিস্থিতি কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই এবার বিজয় দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ- জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা।’

একাত্তরে ৩ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন মাওলানা হাবিবুর রহমান। তাঁর আশঙ্কা, একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী জামায়াত-শিবিরকে এবার প্রতিরোধ করা না গেলে বাংলাদেশের সামনে ঘোরতর বিপদ। হাজারো তরুণের কণ্ঠেও বিজয় দিবসে ধ্বনিত হলো নাশকতা-সহিংসতার বিরুদ্ধে একই সুর।

বঙ্গভবনে সংবর্ধনা : বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল বঙ্গভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তাঁর স্ত্রী রাশেদা খানম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং ছোট বোন শেখ রেহানা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বঙ্গভবনের সংবর্ধনায় যোগ দেয়। বর্ষীয়ান মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্যরাও বিজয় দিবসের সংবর্ধনায় যোগ দেয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও অন্য অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তাঁরা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এ উপলক্ষে কেক কাটেন। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী রওশন এরশাদও সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন। প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, কূটনীতিক, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, নির্বাচন কমিশনার, সিনিয়র আইনজীবী, মন্ত্রিপরিষদসচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, জাতীয় অধ্যাপক, সম্পাদক, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নেতা, সিনিয়র সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা, অভিনেতা-অভিনেত্রী ও বিশিষ্ট নাগরিকরা এ সংবর্ধনায় যোগ দেন।

বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর, সুবীর নন্দী, সামিনা চৌধুরী, আবদুল জব্বার ও শাকিলা জাফর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন এবং সশস্ত্র বাহিনী, আনসার ও বিজিবির সদস্যরা ব্যান্ডে সংগীত পরিবেশন করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। সকালে উপাচার্য ড. মো. আনোয়ার হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য এম এ মতিন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. আফসার আহমদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, মহিলা ক্লাব, বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, অফিসার সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়ন, কর্মচারী সমিতি, ছাত্রলীগ, ছাত্রদলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক পুস্তক ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ।

***************************
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ ডিসেম্বর ২০১৩

KALERKONTHOlogo

About Ehsan Abdullah

An aware citizen..
This entry was posted in BENGALI NATIONALISM, CHALLENGES, CURRENT ISSUES, DEFENCE & SECURITY, IDENTITY & PATRIOTISM, ISLAMIC EXTREMISM, LAW & ORDER, Martyrs & Sacrifices, RAZAKARS - Genocide & War Crime Trial - Anti Liberation Forces, REFLECTION - Refreshing our Memories, RESPONSIBLE CITIZEN & DUTY. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s